অ্যাপেল ‘র ৪০ বর্ষপূর্তি উদযাপন

এপ্রিল ১৯৭৬ ক্যালিফোর্নিয়ার ছোট্ট গ্যারেজ থেকে শুরু অ্যাপল এর। পার্সোনাল কম্পিউটার দিয়ে প্রযুক্তি বাজারে প্রবেশ, অতঃপর একের পর এক তাক লাগানো প্রযুক্তি সম্বলিত দৈনন্দিন ব্যবহারের মোবাইল ও কম্পিউটার তৈরি করে আজ বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। অ্যাপলের পণ্যগুলো এখন মানুষের স্বপ্নের ডিভাইস। বিস্তারিত জানুন টেকপ্রেমী মেহেদী হাসান পলাশ থেকে।

অ্যাপেলের জন্ম

প্রযুক্তি দুনিয়ার রাজা অ্যাপলের ৪০ বছর পূর্ণ হল ২০১৬ সালের মে মাসে। উপরের ছবিতে যাদের দেখতে পাচ্ছেন তারাই অ্যাপলের জন্মদাতা। বাম থেকে আপনার আমার সকলের পরিচিত মুখ স্টিভ জবস, তার পাশে অ্যাপলের লোগো নির্মাতা রোনাল্ড ওয়েন এবং আপনার ডান পাশের মানুষটিই অ্যাপল ইঞ্জিনিয়ার ও অ্যাপল ২ পার্সোনাল কম্পিউটারের দিজাইনার স্টিভ ওজনিয়াক।

অ্যাপেলের ৪০ বছর

অ্যাপলের ম্যাক থেকে আইপড, আইফোন থেকে অ্যাপল ওয়াচ সবকিছুই মানুষ পাগলের মত পছন্দ করে।আপনি-আমি জানলেও অনেকেই জানেন না যে তাদের ব্যবহৃত কি-বোর্ড লেআউট স্টিভ জবসের তৈরি! যে মনে করেন অ্যাপলের পণ্য নামে চলে সে কয়েকমাস অ্যাপল ব্যবহারের পর অ্যাপলের অন্যসব পণ্যেও হুমড়ি খেয়ে পড়বে। নিজের কথাই বলি, আমি কখনই অ্যাপলের ফ্যান ছিলাম না কিন্তু একবার আইফোন ব্যবহারের পর আন্ড্রয়েডে ফিরে যাওয়ার কোন ইচ্ছাই আমার নেই। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও সিকিউরিটির এত সুন্দর সংমিশ্রণ যে আন্ড্রয়েডের মত কোন কাস্টমাইজেশন ফিচার না থাকা সত্ত্বেও জনপ্রিয়।

শুভ জন্মদিন অ্যাপল।

মেহেদী হাসান পলাশ

Mehedi Hasan Polash ভালোবাসি প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে ও জানাতে, এই ভালো লাগা থেকেই যোগ দেওয়া প্রযুক্তি ব্লগিংয়ে। পাশে পেয়েছি টেকমাস্টার ব্লগ কমিউনিটি, দিকনির্দেশনা দিতে শ্রদ্ধেয় মেজবা উদ্দিন ভাই। ব্লগিং জগতের সবচেয়ে বড় যে পাওয়া তা হচ্ছে তথ্য, ব্লগিং এর জন্য প্রতিদিনই নিজেকে বেশি বেশি তথ্য জানতে হচ্ছে যা অনেকটা নেশার মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর জীবনটাই তো শেখার জন্য, জানার জন্য। বর্তমানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ও মার্কেটিং উভয় বিষয়ে (বিবিএ) অধ্যায়নরত। প্রয়োজনে যোগাযোগ ফেইসবুকে- মেহেদী হাসান গুগল প্লাস

আপনার মতামত ...