বায়োমেট্রিক নিবন্ধন অপব্যবহারে ৩০০কোটি টাকা জরিমানা!

বায়োমেট্রিক সিম নিয়ে চলছে অনেক রকম জল্পনা কল্পনা। আঙ্গুলের ছাপ কেনো দিতে হবে? আদৌ সেই ছাপ কোথাও সংগ্রহ করা হবে কিনা সেসব প্রশ্নের জট খুলতেই বার বার জবাব চাওয়া হচ্ছে সরকারের কাছে। সরকারের পক্ষ্য থেকেও আসছে জবাব। সব মিলিয়ে সাত-পাচ করে এগুচ্ছে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন। ৩০শে এপ্রিলের মধ্যে সব সিম নিবন্ধন করার টার্গেট সরকারের।

বায়োমেট্রিক নিবন্ধন অপব্যবহারে ৩০০কোটি টাকা জরিমানাএদিকে গতকাল বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে গ্রাহকের কোনোরকম ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। সিম পুনর্নিবন্ধনের সময় নেওয়া আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করা হচ্ছে না এবং কোনো কম্পানি এই ছাপের অপব্যবহার করলে ৩০০ কোটি টাকা জরিমানার বিধানও রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদের সাপ্তাহিক নিয়মিত বৈঠকে এক অনির্ধারিত আলোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতি নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা নিছক গুজব। যে চারটি আঙুলের ছাপ নেওয়া হচ্ছে তা আগে থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রে সংরক্ষিত আছে। পুনর্নিবন্ধনের সময় যে ছাপ নেওয়া হয় তা ম্যাচিং-এর পর ভ্যানিশ হয়ে যায়। এ ছাপ কোথাও সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। এ ছাপ দিয়ে কারো কোনো স্থাবর-অস্থাবরে ক্ষতির আশঙ্কা নেই। যদি কোনো কম্পানি এটার অপব্যবহার করে, তাহলে ৩০০ কোটি টাকা জারিমানার বিধান করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব।

তথ্যসুত্র-কালেরকন্ঠ

 

উদয়

সবার মধ্যেই কিছু না কিছু থাকে,সেই কিছু খোজার প্রচেষ্টাতেই আছি। ভালো লাগে টেকনোলজি,তাই টেক-মাস্টারব্লগের সাথে সম্পৃক্ততা ।

আপনার মতামত ...