চলছে জাতীয় হ্যাকাথন, দুর্ভোগের অন্তঃ নেই

দ্বিতীয়বারের মতোন চলছে জাতীয় হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা। সারা দেশের প্রায় দেড় হাজার ফ্রিল্যান্সার ,অ্যাপ নির্মাতা,শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়া ৩৭০ টি দলের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে গতকাল শুরু হয়েছে জাতীইয় হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা। গতকাল বুধবার রাজধানীর মিরপুরের পুলিশ স্টাফ কলেজ (পিএসসি) কনভেনশন হলে দুদিনের এ আয়োজন উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

Capture3

হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা হলো বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগ আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতা যেখানে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মোবাইল অ্যাপ তৈরীর মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পথ বের করেন। তবে সহজ কথায় বললে হ্যাকাথন একটি কোডিং প্রতিযোগিতা। যেখানে একটা নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিযোগিরা চাহিদাওনুযায়ী মানসম্মত অ্যাপ তৈরী করেন। সাধারনত একটি টিমে ৫ জন করে সদস্য থাকে। প্রতিযোগিদের কিচ্ছু সমস্যা বা বিষয় দেওয়া থাকে, প্রতিযোগিরা সেই সমস্যাগুলো কিভাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে দূর করা যায় সেই রাস্তা বের করেন।

 

দ্বিতীয়বারের মতোন আয়োজিত এবারের হ্যাকাথনে রয়েছে সারা দেশের ৩৭০টি দল। টানা ৩৬ ঘন্টার এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগিরা সেই দশটি সমস্যা সমাধানে লড়বেন সেগুলো হলোঃ কৃষি উৎপাদন, নবজাতক ও শিশু, সড়ক দুর্ঘটনা, শিক্ষায় মানসম্মত শিক্ষক, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, জ্বালানি সক্ষমতা, শহরের পরিবেশ, টেকসই পর্যটন, সামুদ্রিক সম্পদ ও দুর্নীতি।  এই ১০টি বিষয়ে  যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা কীভাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে মোকাবেলা করা যায়, ৩৬ ঘণ্টাব্যাপী প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সলিউশনের প্রোটোটাইপ (নমুনা সমাধান) তৈরি করবেন। গতকাল হ্যাকাথনের উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতেই ‘ফিউচার প্রডাক্ট ইনোভেশন’ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

তবে বহুল ব্যায়ের এই হ্যাকাথনেও শেষ নেই অব্যাবস্থাপনার। গতকাল হ্যাকাথন শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়েছে অংশগ্রহনকারীদের । প্রায় দেড়শো প্রতিযোগিদের টেবিলে ছিলোনা বিদ্যুতের সংযোগ। বিকেল তিনটা পর্যন্ত কোনো প্রতিযোগী ই পাননি ইন্টারনেট সংযোগ। অনেকেই পাননি নিজেদের আইডেন্টিটি কার্ড। অথচ সব ধরনের সহযোগিতাই করেছে সরকারের  তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। এর জবাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত এমসিস্যার নিরবাহী কর্মকর্তা জানান তারা কাজ করছেন।

 

এবারের হ্যাকাথনে ১০টি বিজয়ী দল পাবেন অর্থ, সম্মাননাসহ বেশকিছু পুরস্কার। আইসিটি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় রানারআপসহ সকল বিজয়ীদের দেওয়া হবে ১০ লাখ টাকা, বাংলালিংকের পক্ষ থেকে প্রত্যেক চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫০ হাজার করে মোট ৫ লাখ টাকা এবং প্রথম রানারআপদের প্রত্যেকের জন্য একটি করে ট্যাব। ফেসবুক দিচ্ছে ৮০ হাজার ডলার মূল্যমানের ফেসবুক স্টার্টআপ সুবিধা এবং কিউবি পাঁচ মাসের ইন্টারনেট সুবিধাসহ ১০ চ্যাম্পিয়ন দলকে দেবে মডেম। এছাড়া সেরা উদ্ভাবনগুলো বাস্তবায়নের জন্য আইসিটি বিভাগ ভবিষ্যতে সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করবে।

তথসুত্রঃ টেক শহর,বনিক বার্তা

 

উদয়

সবার মধ্যেই কিছু না কিছু থাকে,সেই কিছু খোজার প্রচেষ্টাতেই আছি। ভালো লাগে টেকনোলজি,তাই টেক-মাস্টারব্লগের সাথে সম্পৃক্ততা ।

আপনার মতামত ...