ক্লাউড স্টোরেজ তুলনা: গুগল ড্রাইভ ওয়ানড্রাইভ ড্রপবক্স আইক্লাউড

ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধাগুলো বর্তমানে বহুল পরিচিত। ক্লাউড স্টোরেজের মাধ্যমে আপনি যেকোনো ফাইলকে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন এবং যখন খুশি যেখানে খুশি ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য আপনার প্রয়োজন শুধুমাত্র একটি ইন্টারনেট কানেকশনের। তবে যারা জানেন না যে তাদের জন্য কোন ক্লাউড স্টোরেজটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী তাদের জন্য নিম্নে ৪টি প্রধান ক্লাউড স্টোরেজ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ

প্রধান ৪টি ক্লাউড স্টোরেজ হলঃ

. গুগল ড্রাইভ

২. মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ

৩. ড্রপবক্স

৪. অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভ

 

১. গুগল ড্রাইভঃ

গুগল ড্রাইভ হল গুগলের নিজস্ব ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস। এটি সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। গুগল ব্যবহারকারীরা এটি সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড কিংবা ক্রোম ওএস ব্যবহারকারী হন তাহলে গুগল ড্রাইভই হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ।

 

ব্যবহারিক সুবিধাঃ

ব্রাউজার হিসেবে অন্যান্য ক্লাউড স্টোরেজগুলোর তুলনায় গুগল ড্রাইভ হল সবচেয়ে উপযোগী। তাই আপনি যদি গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা যানেন তাহলে এর অসংখ্য ফিচার সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন।

আপনি অতি দ্রুত অনেকগুলো ফাইল সংরক্ষণ করতে চান?

  • তাহলে সবগুলো ফাইল একত্রে সিলেক্ট করে টেনে গুগল ড্রাইভের ব্রাউজারে এনে ড্রপ করুণ। ফাইলগুলো সংরক্ষিত হয়ে যাবে।

আপনার এখনি সংরক্ষিত কিছু ফাইল দরকার?

  • তাহলে ব্রাউজার থেকে ফাইলগুলো হাইলাইট করে ফাইলের উপরে কার্সর রেখে রাইট বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড অপশন থেকে ডাউনলোড করে নামিয়ে নিন। ফাইলগুলো আপনার কম্পিউটার বা অ্যান্ড্রয়েডে ডাউনলোড হয়ে যাবে।

 

তবে আপনি যদি গুগল ড্রাইভের ব্রাইউজার অপশনটি ব্যবহার করতে না চান তাহলে আপনি কোন ডেস্কটপ এপ্লিকেশনের মাধ্যমে গুগল ড্রাইভে প্রবেশ করতে পারেন ও ফাইল সংরক্ষণ করতে পারেন। এর জন্য দরকার নতুন ব্যাকআপ ও সিঙ্ক টুলসগুলো। কম্পিউটার এপ্লিকেশনের মাধ্যমে গুগল ড্রাইভের নতুন কোন ফোল্ডার তৈরি করা, পুরনো ফোল্ডার কপি করা প্রভৃতি কাজ করা যায়।

 

সংরক্ষণস্থলঃ

গুগল অ্যাকাউন্ট খুললে গুগল ড্রাইভে আপনি পাবেন ১৫ জিবি খালি জায়গা, যেখানে আপনি আপনার পছন্দের ফাইলটি সংরক্ষণ করতে পারেন।

তবে যদি আরও বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হয় তাহলে কিছু প্রিমিয়াম পরিকল্পনাও আছে আপনার জন্য। মাসিক ফি প্রদানের মাধ্যমে আপনি সর্বনিম্ন ১০০ জিবি থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ট্যারাবাইট পর্যন্ত প্রিমিয়াম সুবিধা পাবেন।

 

পারস্পরিক সমন্বয়ঃ

গুগল ড্রাইভ গুগলের সাথেই সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে। তাই গুগল ড্রাইভ গুগলের অন্যান্য সেবা যেমন-গুগল ফটো, গুগল ডকুমেন্ট, গুগল প্লে মিউজিক, গুগল স্লাইডস প্রভৃতির সাথে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারে। তাই আপনি যদি গুগল ভিত্তিক সেবা গ্রহণে নির্ভরশীল হন তাহলে গুগল ড্রাইভ হবে আপনার জন্য সবচেয়ে ভাল অপশন।

 

 

২. মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ

মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ হল মাইক্রোসফটের নিজস্ব ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস। গুগল ড্রাইভ যেমন শুধু গুগলের সাথে সম্পৃক্ত,তেমনি মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভও শুধুমাত্র মাইক্রোসফট ভিত্তিক সেবাগুলোর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে। তাই যারা মাইক্রোসফট ভিত্তিক সেবা গ্রহণে নির্ভরশীল তাদের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ হল সবচেয়ে ভাল অপশন।

 

ব্যবহারিক সুবিধাঃ

উইন্ডোজ-১০ এ মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। কারণ উইন্ডোজ-১০ এ মাইক্রোসফটের সব ধরণের সর্বাধুনিক সফটওয়্যারগুলো পূর্বেই ইন্সটল করা থাকে।

আপনি যদি উইন্ডোজ-১০ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য ইতোমধ্যে একটি ওয়ানড্রাইভ একাউন্ট খোলা আছে। আপনি যদি উইন্ডোজ-১০ ব্যবহার না করেন তাহলে আপনাকে একটি ওয়ানড্রাইভ একাউন্ট খুলে নিতে হবে।

গুগল ড্রাইভের মতো মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভও প্রায় সব ধরণের কাজ করতে সক্ষম। তবে গুগল ড্রাইভের তুলনায় মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার কম সুবিধাজনক। বিশেষ করে ব্রাউজার হিসেবে।

মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করে অনেক ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন-সংরক্ষিত সবগুলো ফাইল একত্রে না নামিয়ে যেকোনো একটি ফাইল নিজের ইচ্ছা মতো যখন খুশি নামানো যায়। বাকি ফাইলগুলো ড্রাইভেই সংরক্ষিত থাকে।

 

সংরক্ষণস্থলঃ

বর্তমানে ওয়ানড্রাইভ অ্যাকাউন্ট খুললে ওয়ানড্রাইভে আপনি পাবেন মাত্র ৫ জিবি খালি জায়গা। যেখানে আপনি আপনার পছন্দের ফাইলটি সংরক্ষণ করতে পারেন।

আপনি চাইলে এ জায়গা বৃদ্ধি করে ১৫ জিবি পর্যন্ত করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে আপনার অন্যান্য বন্ধুদের ওয়ানড্রাইভ ব্যবহারের অনুরোধ জানাতে হবে। যদি তারা ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার শুরু করে তবে প্রত্যেকের জন্য আপনি .৫জিবি করে ফাঁকা জায়গা পাবেন।

এছাড়া জায়গা বৃদ্ধির জন্য ওয়ানড্রাইভ কিছু প্রিমিয়াম পরিকল্পনারও ব্যবস্থা করেছে। এর প্রিমিয়াম পরিকল্পনাটি একটু ভিন্ন ধরণের। এর প্রিমিয়াম পরিকল্পনায় সাবস্ক্রাইব করে ৫০ জিবি ফাঁকা জায়গা পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি মাইক্রোসফট অফিস ৩৬৫ স্যুট ব্যবহনের।করা যায়। আর আপনি যদি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট, মাইক্রোসফট এক্সেল নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই সাবস্ক্রিপশনটি আপনার জন্য অবশ্যই উপকারী।

 

পারস্পরিক সমন্বয়ঃ

পূর্বেই বলা হয়েছে যে ওয়ানড্রাইভ মাইক্রোসফট উইন্ডোজের সাথে সমন্বিত হয়ে কাজ করে। তাই যারা মাইক্রোসফট উইন্ডোজ প্রোগ্রামগুলো নিয়মিত ব্যবহার করেন তারা কোন সমস্যা ছাড়াই ওয়ান ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারেন।

যেহেতু আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েডেও মাইক্রোসফট অফিস স্যুটের ব্যবহার দেখা যায়, তাই আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরাও ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করতে পারেন। তবে বেশিরভাগ আইওএস ব্যবহারকারীরা আইক্লাউড এবং অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা পছন্দ করেন , তাই তারা ওয়ান ড্রাইভকে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করেন।

 

৩. ড্রপবক্সঃ

ড্রপবক্স হল সবচেয়ে পুরনো ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস। গুগল ড্রাইভ, মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ, অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভের তুলনায় ড্রপবক্স ভিন্ন এবং একেবারেই স্বতন্ত্ররুপে কাজ করে। অন্যান্য ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসে এমন অনেক কাজ আছে যা ড্রপবক্সে কর যায়না। স্বতন্ত্রভাবে কাজ করার কারণে ড্রপবক্সকে যেকোনো কাজে যে কেউ ব্যবহার করতে পারে।

 

ব্যবহারিক সুবিধাঃ

যেহেতু ড্রপবক্স অনেক পুরানো ক্লাউড স্টোরেজ,তাই এতে আজ পর্যন্ত অনেক ধরণের ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ফাইল আপলোড করা যায় ও বিভিন্ন ফাইলের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা যায়। এতে ‘ফাইল রিকভারি ও ভার্শন হিস্টোরি’ এর মতো ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে যার মাধ্যমে সহজে যেকোনো ফাইল খুঁজে বের করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন ফোল্ডারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা, তা শেয়ার করা ছাড়াও আরও অনেক এডিশনাল অপশন আছে যার মাধ্যমে অসংখ্য ধরণের কাজ করা সম্ভব।

তার মানে এই নয় যে ড্রপ বক্স সবচেয়ে ভালো ক্লাউড স্টোরেজ। গুগল ড্রাইভ, মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ, অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভে যে ধরণের ফিচার ও উন্নতমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, সে তুলনায় ড্রপবক্সের ফিচারগুলো অনেক অনুন্নত।

যারা ফাইল ম্যানেজমেন্টে দক্ষ নন তাদের ড্রপবক্স ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ করে কোন ছবি যুক্ত ফাইল সংরক্ষণে তাদের বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ড্রপবক্সের কোন অফিস স্যুট নেই। ড্রপবক্স দিয়ে সাধারণ কিছু এডিটিং কাজ করা যায়। তবে গুগল ড্রাইভ, মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ, অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভের মতো এর মাধ্যমে এক্সেল কিংবা পাওয়ার পয়েন্টে কাজ করা সম্ভব নয়।

 

সংরক্ষণস্থলঃ

ড্রপবক্সে একাউন্ট খুললে আপনি পাবেন ২ জিবি খালি জায়গা। এই ফাঁকা জায়গা বাড়িয়ে ১৬ জিবি পর্যন্ত করা সম্ভব। এর জন্য আপনাকে আপনার কমপক্ষে আরও ৩২ জন বন্ধুকে ড্রপবক্স ব্যবহারের অনুরোধ জানাতে হবে। তারা ড্রপবক্স ব্যবহার শুরু করলে প্রত্যেকের জন্য আপনি .৫জিবি করে ফাঁকা জায়গা পাবেন। তাছাড়া বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ার সাথে ড্রপবক্স যুক্ত করে, ড্রপবক্সে ভাল ফিডব্যাক পাঠিয়ে, ড্রপবক্স-প্রোতে সাবস্ক্রাইব করে প্রভৃতি উপায়ে ড্রপবক্সে জায়গা বাড়ানো যায়। স্যামসাং ও এইচটিসি মোবাইলে ড্রপবক্স ব্যবহার করলে অতিরিক্ত আরও অনেক ফাঁকা জায়গা পাওয়া যায়।

ড্রপবক্সের বিভিন্ন প্রিমিয়াম পরিকল্পনাও আছে। তবে সবচেয়ে সুলভ পরিকল্পনাটি হল ১ ট্যারাবাইট ফাঁকা জায়গার পরিকল্পনাটি।

 

পারস্পরিক সমন্বয়ঃ

যেহেতু ড্রপ বক্স স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে তাই এটি অন্য কোন প্রোগ্রামের সাথে সমন্বিত হয়না। তাই একে উইন্ডোজ থেকে শুরু করে লিনাক্স পর্যন্ত সর্বত্র ব্যবহার করা যায়। যদিও এটি সর্বাপেক্ষা উন্নতমানের নয় তবুও ড্রপবক্স এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়।

 

৪. অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভঃ

অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভ হল অ্যাপল কোম্পানির নিজস্ব ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস। কয়েক বছর আগেও এর সার্ভিস ছিল অতি নগন্য। বর্তমানে আইক্লাউডের সার্ভিস অনেক উন্নত হয়েছে। যদিও কারো কারো মতে এর সার্ভিস এখনো নগন্য।

 

ব্যবহারিক সুবিধাঃ

যদি আপনি আইওএস কিংবা ম্যাকওএস ব্যবহার করেন তাহলে আপনি সহজেই আইক্লাউড ব্যবহার করতে পারবেন।

আপনার অ্যাপল ডিভাইসে আইক্লাউড ড্রাইভ চালু করলে আইক্লাউডের সমস্ত ফিচার আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। সেই সাথে বিভিন্ন ফাইল আইক্লাউড ড্রাইভে সংরক্ষণ করা যাবে।

যদি আপনি অ্যাপল ডিভাইস ব্যবহারকারী না হন তবে আইক্লাউড ব্যবহার করার জন্য আপনাকে উইন্ডোজ ভিত্তিক কোন যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে। ওই যন্ত্রে ক্লাইন্ট প্রোগ্রামটি ইন্সটল করে নিলেই আই ক্লাউড ব্যবহার করা যাবে। তারপর আই ক্লাউডে একাউন্ট খুলে তাতে ফাইল সংরক্ষণ করা যায়।

 

সংরক্ষণস্থলঃ

আইক্লাউডের অন্যান্য সেবা ভাল হলেও এর সংরক্ষিত ফাঁকা জায়গার পরিমাণ খুবই হতাশাজনক। যেখানে অন্যান্য ক্লাউড স্টোরেজগুলো কমপক্ষে ১৫ জিবির মতো ফাঁকা জায়গা দেয় এবং প্রয়োজনে তা বর্ধিত করা যায়, সেখানে আইক্লাউড আপনাকে দিবে মাত্র ৫ জিবি ফাঁকা জায়গা। যদি আপনার অতিরিক্ত জায়গার দরকার হয় তাহলে অ্যাপল আপনার জন্য রেখেছে ৫০ জিবি, ২০০ জিবি ও ২ টেরাবাইটের ফাঁকা জায়গা। তবে সামগ্রিক ভাবে অন্যান্য ক্লাউড স্টোরেজের তুলনায় আই ক্লাউড ব্যবহার তেমন সুবিধাজনক নয়।

পারস্পরিক সমন্বয়ঃ

আই ক্লাউড অ্যাপলের সকল প্রকার প্রোগ্রামের সাথে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে পারে। যদি আপনি আইওএস কিংবা ম্যাকওএস ব্যবহার করেন তাহলে আপনি অতি সহজেই আইক্লাউড ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আইক্লাউড ব্যবহার করা যায়না।

আপনি যদি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যবহারকারী হন তাহলে আপনার উচিত ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করা। আবার গুগল ব্যবহারকারী হলে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করাই উত্তম। সেক্ষেত্রে আই ক্লাউড হতে পারে আপনার বিকল্প ক্লাউড স্টোরেজ।

 

 

 

ক্লাউড স্টোরেজগুলোর তুলনা

 

গুগল ড্রাইভ মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ ড্রপবক্স

অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভ

 

ফাঁকা জায়গা

১৫ জিবি ৫ জিবি + ১০ জিবি (রেফারাল) ২ জিবি + ১৫ জিবি (রেফারাল)

৫ জিবি

মূল্য (মার্কিন ডলার)

১০০ জিবি=$১.৯৯

 

১ ট্যারাবাইট= $৯.৯৯

 

১০ ট্যারাবাইট= $৯৯.৯৯

 

২০ ট্যারাবাইট= $১৯৯.৯৯

 

৩০ ট্যারাবাইট= $২৯৯.৯৯

৫০ জিবি= $১.৯৯

 

১ ট্যারাবাইট + অফিস ৩৬৫ পারসোনাল= $৬.৯৯

 

৫ ট্যারাবাইট + অফিস ৩৬৫ হোম=$৯.৯৯

 

১ ট্যারাবাইট= $৮.২৫

 

ড্রপবক্স বিজনেস থেকে $১৫/ ব্যবহারকারী

৫০ জিবি= $০.৯৯

২০০ জিবি= $২.৯৯

২ ট্যারাবাইট= $৯.৯৯

যেসব ডিভাইসে কাজ করবে

উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, ম্যাকওএস উইন্ডোজ,

উইন্ডোজ মোবাইল অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, ম্যাকওএস

উইন্ডোজ,

উইন্ডোজ মোবাইল অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, ম্যাকওএস, লিনাক্স, ব্ল্যাকবেরি,কিন্ডল ফায়ার

উইন্ডোজ,

আইওএস, ম্যাকওএস

ফিচার

নির্দিষ্ট ফোল্ডারে সমন্বয় সাধন, ইভেন্ট ট্র্যাকিং, ভার্শন হিস্টোরি, পারমিশন সেটিংস শেয়ারিং, গুগল ড্রাইভ এপ নির্দিষ্ট ফোল্ডারে সমন্বয় সাধন, ইভেন্ট ট্র্যাকিং, ভার্শন হিস্টোরি, পারমিশন সেটিংস শেয়ারিং, মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব এপ নির্দিষ্ট ফোল্ডারে সমন্বয় সাধন, ইভেন্ট ট্র্যাকিং, ভার্শন হিস্টোরি, লিংক শেয়ারিং, ফেসবুক ইন্ট্রিগ্রেশন, গুগল ড্রাইভ এপ

নির্দিষ্ট ফোল্ডারে সমন্বয় সাধন, ভার্শন হিস্টোরি, লিংক শেয়ারিং, আইওয়ার্ক স্যুট

কোনটি নির্বাচন করবেন?

আপনি কোন ক্লাউড স্টোরেজটি ব্যবহার করবেন তা সম্পূর্ণরুপে নির্ভর করে আপনার প্রয়োজন ও সুবিধার উপর। যদি আপনি বিভিন্ন ফাইল ও প্রোগ্রামের সাথে সমন্বিত ভাবে কাজ করতে চান তবে গুগল ড্রাইভ, মাইক্রোসফট ওয়ানড্রাইভ কিংবা অ্যাপল আইক্লাউড ড্রাইভ হতে পারে আপনার পছন্দের শীর্ষে। অপরপক্ষে যারা বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম ও ফাইল নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য ড্রপবক্সই উত্তম।

তবে আমার মতে যারা ঝামেলাবিহীন সাধারণ একটি ক্লাউড স্টোরেজ চান তাদের জন্য ড্রপবক্স হল সর্বোত্তম অপশন। আর যারা উন্নত মানের আকর্ষণীয় ক্লাউড স্টোরেজ চান তাদের জন্য গুগল ড্রাইভ উপযোগী।

One thought on “ক্লাউড স্টোরেজ তুলনা: গুগল ড্রাইভ ওয়ানড্রাইভ ড্রপবক্স আইক্লাউড

  • সেপ্টেম্বর 22, 2017 at 1:17 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    valo post…..

    Reply

আপনার মতামত ...