দেশে তৈরী হবে মোবাইল কারখানা

দেশে মোবাইল কারখানা উৎপাদনের জন্য নির্দেশিকা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। দুই ধরনের কারখানা তৈরী করা যাবে বলে জানায় বিটিআরসি। 

বিটিআরসির ওই নির্দেশিকায় জানানো হয় যে বাংলাদেশের ১৬কোটি মানুষের মধ্যে ১৩কোটির মোবাইল সংযোগ আছে এবং তা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। প্রতি বছর প্রায় ২-৩ কোটি মোবাইল আসে বৈধ পথে আর প্রায় ৫০লাখ এর ও বেশি মোবাইল আসে অবৈধ পথে রাজস্ব ফাকি দিয়ে। এই বিপুল মোবাইল মার্কেটের দর বর্তমানে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। প্রতিবছর এই মোবাইল ক্রয় করতে বিপুল পরিমান অর্থ চলে যায় দেশের বাইরে যা কমানোর জন্য দেশের অভ্যন্তরেই তৈরী করা হবে কারখানা। দেশে স্থানীয়ভাবে মোবাইল যন্ত্রপাতি সংযোজন ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে এখন আমদানি শুল্ক হবে মাত্র ১০%। আর যংযোজনের যন্ত্রপাতি আনানোর জন্য আমদানী শুল্ক হবে মাত্র ১% । এর আগে মোবাইল ফোন ও যন্ত্রপাতি আনার জন্য ৩৭.০৭% শুল্ক প্রয়োজন হতো।

মোবাইল কারখানা হবে দুই ক্যাটাগরীর- এ ও বি । এ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সয়ংসম্পূর্ন টেস্টিং ল্যাব থাকতে হবে । বি ক্যাটেগরির প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাব না থাকলেও চলবে তবে তাদেরকে এ ক্যাটেগরির যেকোনো ল্যাবের থেকে তাদের ৫% মোবাইল পরীক্ষা করিয়ে আনিয়ে তার ফলাফল বিটিআরসিকে দেখাতে হবে। তারা নিজস্ব ল্যাব নির্মানের মতো অবস্থায় এলে ল্যাব তৈরী করে তারা এ ক্যাটেগরিতে উন্নীত হতে পারে। এ ক্যাটেগরির লাইসেন্সের জন্য খরচ হবে ৫০লাখ টাকা+১৫%ভ্যাট  ও বি ক্যাটেগরির লাইসেন্সের জন্য খরচ হবে ২৫লাখ টাকা +১৫% ভ্যাট।

উদয়

সবার মধ্যেই কিছু না কিছু থাকে,সেই কিছু খোজার প্রচেষ্টাতেই আছি। ভালো লাগে টেকনোলজি,তাই টেক-মাস্টারব্লগের সাথে সম্পৃক্ততা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.