সেরা ১০০ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ২০১৭ঃ ২য় পর্ব

২০১৭ সালের সেরা অ্যানড্রয়েড অ্যাপসগুলো নিয়ে তৈরি করা প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্ব এটি।

 

প্রথম পর্বের পর থেকে-

৩৬. গুগল হ্যাংআউটসঃ

গুগল হ্যাংআউটস এ ম্যাসেজ করা, ছবি পাঠানো, এমনকি একসাথে ১২ জনের সাথে ভিডিও চ্যাটও করা যায়। ভয়েস কল পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র একটি গুগল একাউন্ট। এর মতো আরও অনেক সার্ভিস থাকলেও তাদের কোনটি ফ্রি নয়। কিন্তু এই এপটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

৩৭. লিংকড ইনঃ

এই এপটির সাথে আপনারা অনেকেই পরিচিত হবেন। এই এপটি সবচেয়ে বেশি উপকারে আসবে যখন আপনি হতাশায় ভুগবেন। সারাদিন কর্ম ব্যস্ত থাকার পর এই এপটি আপনার মধ্যে প্রশান্তি নিয়ে আসতে পারে।  কেননা এতে পাবেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মরত ব্যক্তির কর্ম অভিজ্ঞতা, তাদের কাজের সফলতা ও বিফলতার গল্প, উন্নয়নের পথ আর অনেক বেশি অনুপ্রেরণা। এতে বর্তমানে নিউজফিডও যোগ করা হয়েছে।

৩৮. নিন্টেন্ডো মিটোমোঃ

এই এপ এর মাধ্যমে আপনি নিজের একটি সুন্দর প্রতিরুপ তৈরি করতে পারবেন যা “মি” নামে পরিচিত। “মি” কে যেকোনো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিবে। আপনি চাইলে “মি”কে নতুন জামা কাপড় পড়াতে পারবেন। ছবির জন্য পোজ দেওয়াতে পারবেন। আবার বন্ধুর “মি”এর সাথে মজার কথোপকথনও করতে পারবেন।

৩৯. স্ন্যাপচ্যাটঃ

স্ন্যাপচ্যাট প্রথমে তরুণ সমাজের কাছে বেশি জনপ্রিয় ছিল। বর্তমানে  এটি সর্ব শ্রেনীর মানুষের বেশ পছন্দের একটি এপ। এর মাধ্যমে দ্রুত কোন ছবি বা ছোট ভিডিওর স্ন্যাপ তুলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করা যায়। ভয়েস ও ভিডিও কল করা যায়। তবে আপনি বন্ধুদের যা-ই পাঠান না কেন কিছু সময় পর তা মুছে যাবে। বর্তমানে এটি আরও বেশি আপগ্রেড করা হয়েছে যার মাধ্যমে যেকোনো স্ন্যাপ সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

৪০. সিগনাল প্রাইভেট ম্যাসেঞ্জারঃ

অন্যান্য এপ এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আপনার মনে প্রশ্ন থাকলেও সিগনাল এপ এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ভাবার তেমন দরকার নেই। ফোন কল এবং বার্তা প্রেরণের জন্য সর্বোত্তম এপ। এমনকি এনক্রিপ্টেড কল ও বার্তাও এর মাধ্যমে পাওয়া যায়। বর্তমানে এর আপডেট গুলো প্রমাণ করেছে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আসলেই সন্দেহের কোন কারণ নেই।

৪১. টুইটার পেরিস্কোপঃ

লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং করা সত্যিই যন্ত্রণাদায়ক কাজ। এমনকি কম্পিউটারেও। কিন্তু টুইটার পেরিস্কোপ সেই ঝামেলা থেকেও আপনাকে মুক্তি দিবে। এটি আপনাকে অতি সহজে লাউভ ভিডিও শেয়ার ও চ্যাট করার সুযোগ দিবে কোন ঝামেলা ছাড়াই। আপনি চাইলে ভিডিওটি সংরক্ষণ করে পরেও দেখতে পারেন এর মাধ্যমে।

৪২. হোয়াটসএপ ম্যাসেঞ্জারঃ

হোয়াটসএপ ম্যাসেঞ্জার এর কথা নতুন করে কিছু বলার নেই। এটি বহুল জনপ্রিয় একটি এপ। এমনকি আমাদের দেশেও। এর মাধ্যমে চ্যাটিং, ছবি কিংবা ভিডিও পাঠানো, ভয়েস ও ভিডিও কলিং করা যায়। বর্তমানে এর ডেস্কটপ ভার্সনও এসেছে। প্রয়োজনে বার্তাকে এনক্রিপ্ট করতে পারে। এটি সবচেয়ে নিরাপদ বার্তা সার্ভিস।

৪৩. উইকারঃ

নিরাপদে বার্তা আদান-প্রদান সব এপে সম্ভব হয়না। কিন্তু এদের মধ্যে উইকার হল ব্যাতিক্রম। এটি সহজে বার্তা বা কোন মিডিয়া ফাইলকে এনক্রিপ্ট করে। তাই এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। মূলত আপনার বার্তার নিরাপত্তা রক্ষায় এর চেয়ে ভাল কোন এপ আপনি পাবেন না।

ভ্রমণ

৪৪. ডুওলিনগোঃ

যেকোনো ভাষা শেখার জন্য ডুওলিনগো এপ এর তুলনাই হয়না। এটি অত্যন্ত বন্ধু ভাবাপন্ন পরিবেশে আপনাকে ভাষা ব্যবহারে পারদর্শী করে তুলবে। প্রথমে শব্দ অভিধান দিয়ে শুরু হবে। তারপর একে একে ছোট ছোট অনুশীলনের মাধ্যমে নতুন নতুন স্তরে পা দিবেন। যত বেশি অনুশীলন করবেন তত বেশি শিখতে পারবেন। এর ফ্রি এপ ভার্সনে ড্যানিশ, ডাচ, ফরাসি, জার্মানি, আইরিশ, ইতালিয়, পর্তুগিজ, স্প্যানিশ এবং সুইডিশ ভাষা শেখা যায়।

৪৫. গুগল ম্যাপসঃ

বহু বছর ধরে দিক নির্দেশনায় এই এপ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর মাধ্যমে আপনার অবস্থান, কোন স্থান থেকে আপনার দূরত্ব প্রভৃতি জানা যায়। উবারের মতো হেঁটে, বাই সাইকেলে করে কিংবা যানবাহনে চড়ে কোথাও যাওয়ার পথ প্রদর্শনও করে। রাস্তাঘাট সম্পর্কে এর অভিজ্ঞতা এতই দারুণ যে এটি প্রতিটি পদক্ষেপে আপনার গতিপথ দেখিয়ে দিতে পারবে।

৪৬. গুগল ট্রান্সলেটঃ

নতুন জায়গায় ঘুরতে গেলে ভাষার সমস্যা নিয়ে ভয় পাবেন না। কারণ গুগল ট্রান্সলেট এর মাধ্যমে অনেক দ্রুত যেকোনো ভাষাকে নিজের ভাষায় রুপান্তর করে নিতে পারবেন। শুধু টাইপ করে নয়; বরং ভয়েস, ছবি বা হাতে লিখেও যেকোনো শব্দ ট্রান্সলেট করা যায়। এই এপ ব্যবহার করে যেকোনো ভাষাকে অফলাইনে ৫২টি এবং অনলাইনে ১৩টি ভাষায় রুপান্তরিৎ করা যায়।

৪৭. সোয়ার্মঃ

কোথাও গিয়ে চেক-ইন দেবার কথা ভাবছেন? কিংবা আপনি ঘন ঘন যেখানে সেখানে চেক-ইন দিতে অভ্যস্ত? তাহলে এই এপটি অবশ্যই আপনার জন্য। এটি আপনাকে বিভিন্ন চেক-ইন সাইটগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে, আপনার বন্ধুদের জানাবে আপনি এখন কোথায় আছেন। কখন কোথায় গিয়েছেন এই সংক্রান্ত সব তথ্য নিজের কাছে সংরক্ষণ করবে। এর মাধ্যমে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে সুন্দর জায়গাটিও খুঁজে বের করতে পারবেন।

৪৮. ট্রান্সইটঃ

প্রতিটি শহরে ট্রান্সইট থাকলে হয়তো কারোই উবারের প্রয়োজন হতনা। অবশ্য বর্তমানে প্রায় অনেক শহরেই বিশ্বমানের ট্রান্সইট ব্যবহৃত হচ্ছে। যার মাধ্যমে ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন যানবাহন যেমন- বাস, ফেরি, ট্রেন প্রভৃতির সকল প্রকার তথ্য পাওয়া যায়।

৪৯. উবারঃ

আপনি যে শহরেই অবস্থান করুন না কেন ভ্রমণে যাবার সময় উবারের সাহায্য নিতে পারেন। এটি আপনাকে বিশেষ ড্রাইভারের ব্যবস্থা করে দিতে পারবে। তাছাড়া এর কিছু বিশেষ ফিচারও আছে যার মাধ্যমে কোন স্থান থেকে খাবার আনিয়ে খেতে পারবেন। এমনকি হুইল চেয়ারসমৃদ্ধ কোন বাহনও ভাড়া করতে পারবেন।

৫০. ওয়েদার আন্ডারগ্রাউন্ডঃ

এর মাধ্যমে আবহাওয়া বিষয়ক যেকোনো তথ্য পাবেন অতি সহজে। আপনার এলাকার আবহাওয়া বিষয়ক আপডেট দিতে পারবে। সেই সাথে ক্রমাগত আভাওয়ার পরিবর্তন সম্পর্কে তুলনামূলক চিত্র দিতে পারবে। কিছু সাহায্যকারী উইজেট এর সমন্বয়ে এটি সবচেয়ে ভাল আবহাওয়া বিষয়ক এপ হিসেবে কাজ করে।

 

ইউটিলিটিস

৫১. অ্যারো লঞ্চারঃ

এই লঞ্চারের সেটিংসে অসংখ্য ধরণের পরিবর্তন আনা যায়। সেই সাথে মোবাইলের থিম ও কার্যকলাপে বিশেষ পরিবর্তন আনা যায়। সচরাচর অ্যানড্রয়েড ব্যবহারে বিরক্ত হয়ে গেলে একটু নতুনত্ব আনতে এই লঞ্চারটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

৫২. নেটগিয়ার ওয়াইফাই অ্যানালিটিকসঃ

নেটগিয়ার এর এই ওয়াইফাই এপটি আপনার ওয়াইফাই ব্যবহারের দক্ষতাকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। মাত্র কয়েকটি চাপেই আপনি আপনার এরিয়ার শক্তিশালী ওয়াইফাই নেটয়ার্কগুলো খুঁজে বের করতে পারবেন। আর কোন নেটয়ার্কটি বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে তাও জানতে পারবেন।

৫৩. সুইফটকী কীবোর্ডঃ

সুইফটকী এক বিশেষ ধরণের কীবোর্ড। এটি আপনার লেখায় পরবর্তী শব্দটি অনুমান করতে পারে। কোন একটি শব্দের কাছাকাছি শব্দগুলোর ইঙ্গিত দিতে পারে। ১০০টি ভাষা ও ৮২টি রঙ্গিন থিম ব্যবহার করা যায় এতে।

৫৪. সোয়াইপ কীবোর্ডঃ

এর কাজ অনেকটা গুগল কীবোর্ডের মতই। এর আছে বিশেষ ইনপুট অপশন, শব্দ সনাক্তকরণ ক্ষমতা, শক্তিশালী গেসচার,হাতের লেখা সনাক্তকরন ক্ষমতা প্রভৃতি। অ্যানড্রয়েড কীবোর্ড হিসেবে এর তুলনা এটি নিজেই।

৫৫. টাস্কারঃ

এটি একেবারেই ভিন্ন ধর্মী একটি এপ। বলা যায় এপ স্টোরে পাওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী এপ এটি। এর মাধ্যমে অ্যানড্রয়েডের পারফরম্যান্সে বিশেষ পরিবর্তন আনা যায়। যেমন প্রতিবার কোন বার্তা এলে এলইডি বাল্ব জ্বালিয়ে সংকেত তৈরির ব্যবস্থা করা যায়। এমন ছোট ছোট কাজ ছাড়াও অনেক অভাবনীয় কাজও করা যাবে এই এপটি দিয়ে।

৫৬. জুপার উইজেট প্রোঃ

প্রায় সব অ্যানড্রয়েডেই আগে থেকে বিভিন্ন উইজেট থাকে যা আপনি আপনার অ্যানড্রয়েড ডেস্কটপ বা লক স্ক্রিনে রাখতে পারেন। তবে কলি যুগের সেই সব উইজেট ছেড়ে ভিন্ন স্বাদ পেতে ব্যবহার করতে পারেন জুপার উইজেট প্রো এপটি। এটি আপনার পছন্দ মতো উইজেট তৈরি করে দিবে। ফলে আপনি পাবেন অ্যানড্রয়েড ব্যবহারের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা।

ভিডিও

৫৭. ক্রাঞ্চিরোলঃ

পূর্বে আনিমে দেখার জন্য কত কষ্টই না করতে হত। কিন্তু ক্রাঞ্চিরোল আসার পর আনিমে ভক্তদের সেই কষ্টও আর রইলো না। জনপ্রিয় সব আনিমে পাওয়া যাবে এখানে। নতুন কোন আনিমে জাপানে মুক্তি পাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই পাওয়া যায় এই এপ এ। তার চেয়েও বড় কথা এই এপটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

৫৮. হুলুঃ

টিভি সিরিজ স্ট্রিমিং করার সেরা এপ। যেকোনো টিভি সিরিজ মুক্তির সাথে সাথেই পাওয়া যাবে এই এপ এ। অন্য সব সাইটের তুলনায় এটি দ্রুত আপডেট হয়। শুধু তাই নয়। বিখ্যাত অনেক মুভিও পেয়ে যাবেন এতে।

৫৯. নেটফ্লিক্সঃ

মুভি ও টিভি সিরিজ স্ট্রিমিং করতে নেটফ্লিক্সের বিকল্প নেই এটি প্রায় সবাই জানেন। যদিও হুলু আরও বেশি সংখ্যক মুভি ও টিভি সিরিজ স্ট্রিমিং এর সুযোগ দেয়; তবুও নেটফ্লিক্স নিজের একটি আলাদা জায়গা তৈরি করে নিয়েছে এই ক্ষেত্রে। এর মাধ্যমে ডাউনলোড করে অফলাইনে বসেই মুভি ও টিভি সিরিজ দেখা যায়।

৬০. স্লিং টিভিঃ

আপনি এখন টিভির সামনে নেই তাই আপনার প্রিয় টিভি সিরিজটি দেখতে পারছেন না?? চিন্তা নেই। কারণ স্লিং টিভি আপনার সেই সমস্যারও সমাধান করে দিবে নিমিষে। ‘স্লিং টিভি ওয়েব সার্ভিস’ এর মাধ্যমে আপনি লাইভ টিভি দেখতে পাবেন। তবে এটি একটু ব্যয় বহুল।

৬১. ডব্লিউ.ডব্লিউ.ই.ঃ

রেসলিং দেখার সেরা এপ এটি। পুরনো ও নতুন সব ধরণের রেসলিংই দেখা যাবে এতে। রেসলিং পাগলদের জন্য বিশেষ সংস্করণ এই এপটি।

 

কর্মব্যবস্থাপনা

৬২. আসানাঃ

এটি একটি দলগত টাস্ক ম্যানেজার। কোন ব্যবসায়িক দল বা গোষ্ঠী এটি ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করতে পারে। এটি দলের প্রত্যেকের কাজ পর্যবেক্ষণ করে ও অগ্রগতি সম্পর্কে মতামত দেয়। তার গতিবিধি পর্যালোচনা করে।

৬৩. ডুডলঃ

মিটিং এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল সবাই একই সময়ে মিটিং করতে রাজি হয়না। কারও কোন না কোন সমস্যা থাকেই। কেউ আজকেই ব্যস্ত কেউ বা কাল। ডুডল সবার কর্ম তালিকা পর্যবেক্ষণ করে মিটিং এর জন্য উপযুক্ত সময় বাছাই করে। তাছাড়া যেকোনো কাজের পরিকল্পনায়ও এই এপ সাহায্য করে।

৬৪. ড্রপবক্সঃ

এটি একটি ক্লাউড সার্ভিস। দেখানে অনলাইনে ডাটা (তথ্য, ছবি প্রভৃতি) সংরক্ষণ করা যায়। যদিও অ্যানড্রয়েডে গুগল ড্রাইভ নামক ক্লাউড সার্ভিস আগে থেকেই থাকে তবুও ড্রপবক্স তার জায়গা ঠিকই ধরে রেখেছে। এর কিছু এডিটিং টুলও আছে।

৬৫. গোড্যাডি বুককিপিং এসেনশিয়ালসঃ

আপনি যদি একজন ফ্রি ল্যান্সার হন তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সময় মতো মাসিক বেতন পাওয়ার নিশ্চয়তা। এই এপটি আপনার পাওনা টাকা ও সংরক্ষিত অর্থের ডাটা বহন করে। এতে করে আপনি সময় মতো বেতন পেলেন কিনা তা জানতে পারবেন। তাছাড়া এটি আপনাকে ট্যাক্স সম্পর্কেও অবহিত করে।

৬৬. গুগলড্রাইভঃ

সকল অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীরই একটি গুগল অ্যাকাউন্ট থাকে। ফলে তার কাছে একটি গুগলড্রাইভ একাউন্টও থাকে। এটি ড্রপবক্সের মতো একটি ক্লাউড সার্ভিস। যেখানে অনলাইনে ডাটা (তথ্য, ছবি, স্লাইড প্রভৃতি) সংরক্ষণ করা যায়।

৬৭. মাইক্রোসফট অফিস ল্যান্সঃ

মাইক্রোসফট অফিস ল্যান্স ব্যবহার করে আপনি কোন বাস্তবিক ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ডকুমেন্ট এ পরিণত করতে পারবেন। এটি কোন সাদা কাগজ থেকে নোটস এবং ডুডলসকেও ডিজিটাল ডকুমেন্টে পরিণত করতে পারে। এর মাধ্যমে পোর্টেবল ডকুমেন্ট স্ক্যানিংও করা যায়।

৬৮. মাইক্রোসফট ওয়ার্ডঃ

উইন্ডোজে ব্যবহৃত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড আর এই এপটির মধ্যে তেমন কোন পার্থক্যই নেই। প্রায় সব ধরণের সেটিংস পাওয়া যাবে এতে। তাও আবার ফ্রি তে।

৬৯. মাই ফ্যাক্সঃ

যদিও ফ্যক্স মেশিনের ব্যবহার আগের মতো তেমন নেই। তবুও কিছু কিছু কোম্পানিতে ও সরকারি কাজে এর ব্যবহার দেখা যায়। কোন ফ্যাক্স মেশিন বা টেলিফোন লাইন ছাড়াই এই এপটি আপনার কাছে ফ্যাক্স পৌছে দিবে।

৭০. স্ল্যাকঃ  

স্ল্যাক আপনাকে অনেকটা ম্যাসেঞ্জারের অনুভূতি দিবে। এটি শুধুমাত্র অফিসিয়াল কাজে ব্যবহৃত হয়। এর ফিচারগুলোর কারণে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যদিও এটি ফ্রি; তবুও মাসিক বিল প্রদানের মাধ্যমে অনেক বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।

আপনার মতামত ...